তো টেক পিপাসু পাঠক আজ থেকে শুরু হল "পিসি এক্সস্পার্ট"এর পথ চলা।আমরা অনেকেই আজকাল WI-Fi রাওটার ব্যাবহার করি,ফলে WI-Fi রাওটার থেকে মারাত্ব্যক গতীতে নেট ব্যাবহার করা যায় কিন্তু WI-Fi রাওটারের মূল সমস্যা হল একবার ডিস্কানেক্ট হলে অনেক সময় রিকানেক্ট করা প্রায় অসম্বভ হয়ে পড়ে। তাহলে এই সমস্যা থেকে পরিত্রানের উপায় কি? আজকে আমি WI-Fi রাওটার থেকে সর্ব্বোচ্চ স্পিড ও সুরক্ষা পেতে ১০টি পয়েন্ট উল্লেখ করব।
১- আপনার রাউটারের ফার্মওয়্যার আপডেট রাখার চেস্টা করুন।
২-সঠিক স্থানে রাউটারটি স্থাপন করুন
এমন স্থানে রাউটারটি স্থাপন করবেন যাতে করে আপনার লিভিং স্পেসের সব যায়গাতে WI-Fi সিগনাল ভাল ভাবে পায়।
৩- শক্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন
কারন আপনি যদি WI-Fi সিগনাল ওপেনলি ব্যাবহার করেন বা সহজ পাসওয়য়ার্ড যেমন ১২৩ বা আপনার নাম বা আপনার জন্ম সাল ইত্যাদি ব্যাবহার করেন তাহলে যে কেউ অযাচিত ভাবে আপনার WI-Fi সিগনাল ব্যাবহার করবে ফলে আপনার নেটস্পিডতো কমবেই প্লাস আপনার সিকিউরিটিও বিঘ্নিত হবে।তাই যথা সম্ভব শক্ত পাসওয়য়ার্ড ব্যাবহার করুন
৪- ওয়াইফাই চ্যানেলের ব্যাবহার
ম্যাক্সিমাম সার্ভিস প্রভাইডার ২.৪ GHZ ব্যবহার করে সেটা সবার জন্য পারফেক্ট নাও হতে পারে। তাই সবসময় চেস্টা করবেন সঠিক ওয়াইফাই চ্যানেল ব্যবহার করার।
৫- যে ডিভাইসগুলিতে বর্তমানে নেটের প্রয়োজন নেই সগুলি ডিসকানেক্ট করে রাখুন-
কথাটার সহজ মানে হচ্ছে, যখন কোন ডিভাইস আর ব্যবহার করার দরকার নেই তখন সেটি WI-Fi রাউটার থেকে ডিসকানেক্ট করে রাখুন।
৬- পিং টেস্টিং
মাঝে মাঝে পিং টেস্টের মাধ্যমে আপনার ইন্টারনেট গতির পরিক্ষা করতে পারেন, আর এ জন্য আপনাকে এই সাইটে গিয়ে চেক করতে হবে- http://www.pingtest.net/ বা netspeedmonitor নামক ফ্রী টুলসটি ব্যাবহার করে দেখতে পারেন এটি এখান থেকে ডাউনলোড করুন।
৭- রাউটারটি রিস্টার্ট ক্রুন
অনেক সময় দেখা যায় আপনার রাউটার চলতে চলতে হঠাৎ হ্যাং করে গেল। আর হঠাৎ করেই স্পীড গায়েব বা নেট লাইন ডিসকানেক্ট হয়ে গেল। এমতাবস্থায় কিচ্ছু করার দরকার নেই জাস্ট আপনার WIFi রাউটার টা একবার অফ করে অন করুন বা রিস্টার্ট করে দেখুন।
৮- একাধিক রাউটারের বা বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন রাউটারের ব্যাবহার
অনেক সময় এমন হতে পারে, আপনার ফ্লোরের স্পেস অনেক বড় হল আর দুর্ভাগ্য বসত আপনি যে WIFi রাউটারটি কিনেছেন সেটি সম্পূর্ণ ফ্লোর কভার করতে পারছে না যার ফলে আপনার নেট স্পীড অনেক কমে যাচ্ছে।এখন একটি কাজ করে দেখতে পারেন- নতুন একটি বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন দেখে রাউটার কিনুন বা ছোট আরেকটি রাউটার কিনে সেটি ঘরের আরেক কোনায় সেট করে দিতে পারেন।
৯- একই সিগন্যালের ডিভাইস থেকে দূরে রাখার ব্যাবস্থা করা
মনে রাখতে হবে আপনার ঘরের এমন কিছু ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র আছে যেগুলি ঠিক একই ২.৪ গিগাহার্জ ব্যবহার করে থাকে। যেমন, টিভি, কডলেস ফোন, মাইক্রোওভেন, ইত্যাদি। এখন আপনি যদি সেম ডিভাইসের পাসে আপনার WIFi রাউটারটি স্থাপন করেন ফলে স্বাভাবিক ভাবেই WIFi রাউটার তার নিজস্ব সিগন্যাল প্রোভাইডে বাধা গ্রস্ত হতে বাধ্য।
১০- এন্টেনার ব্যাবহার
প্রয়োজনে চেষ্টা করুন এন্টেনা সহ রাউটার কেনার। আর চাইলে পুরনো রাউটারের এন্টেনা্টা পরিবর্তন করে নতুন উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এন্টেনা লাগিয়ে নিতে পারেন। এটা করার জন্য আপানাকে নিকটস্থ রাউটার সপ এ গিয়ে কথা বলে দেখতে পারেন।
আজ এই পর্যন্ত ,পরের পোস্টে আসব আবার নতুন কিছু নিয়ে।
- আপনারও যদি একই সমস্যা হয়ে থাকে তবে পরে সেটা থেকে কিভাবে মুক্তি পেলেন ? আপনার জানা এমন কোন বু কি টিপস বা ট্রিক্স আছে যেটা আপ্লাই করলে কাজ হবে? আপনার টিপস বা ট্রিক্স শেয়ার্ করুন আমাদের কমেন্ট বক্সে।
- কোন মতামত বা পরামর্শ থাকলে সেটিও কমেন্ট বক্সে দিতে পারেন। পরবর্তীতে আমরা আপনার মতামতের উপরে ভিত্তি করে কোন পোস্ট দেবার চেষ্টা করবো।

Post a Comment
2 comments
darun upokari post.....chaliya jan
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ...সঙ্গে থাকুন।
Dear readers, after reading the Content please ask for advice and to provide constructive feedback Please Write Relevant Comment with Polite Language.Your comments inspired me to continue blogging. Your opinion much more valuable to me. Thank you.